গণমানুষের উন্নয়নে নিবেদিত প্রাণ দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মুঃ আলমগীর হোসেন ।
বার্তা প্রধান:
রাজধানী ঢাকার পাশ্ববর্তী, দোহার উপজেলার গণ মানুষের উন্নয়নের নিবেদিত প্রাণ মুজিব সৈনিক, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক দোহার উপজেলা পরিষদের দুই দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। বিএনপি জামাত জোট সরকারের জেল জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নেও মুজিব আর্দশ থেকে সরে দাঁড়ান নি। বিশেষ করে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের মহামারীতে যখন অনেক ইউপি চেয়ারম্যান. মেম্বার, ও নেতা এলাকায় থাকেননি। তখন তিনি মাননীয় সাংসদ সালমান ফজলুর রহমানের নির্দেশনা অনুসারে দোহারের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে চলেছেন। নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি’র জনকল্যাণকর সকল কার্যক্রমের একজন নিরব সাক্ষি হিসেবে প্রবাসী ও কৃষি অধ্যুসিত গ্রামীণ জনপদের অসংখ্য মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেন আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আলমগীর হোসেন ১৯৮৪ সালে এমএসসিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ইচ্ছে করলে নিজে ভাগ্য তৈরী করার জন্য উন্নত দেশে চলে যেতে পারতেন। ওই দেশের নাগরিত্ব গ্রহণ করে আজ হাজার কোটি টাকা মালিক হয়ে আরাম আয়েশে জীবন কাটাতে পারতেন তিনি। কিন্তু তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতা আলমগীর হোসেন, দেশ ,মাটি ও মানুষের টানে দেশ ছেড়ে চলে যাননি। দোহারবাসীর মায়া তাকে কোথাও যেতে দেইনি। নাড়ি’র টানে পড়ে আছেন দেশে। দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান সম্পর্কে,
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC ঢাকা জেলার সাধারন সম্পাদক হাজী নাছির উদ্দিন পল্লব বলেন, আলমগীর ভাইয়ের সুদুরপ্রসারী উন্নয়ন পদক্ষেপের ফসল আজ দোহার নবাবগঞ্জবাসী ভোগ করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি’র নির্দেশনা অনুসারে এগিয়ে চলেছেন তিনি, যদিও রাজনীতি’র পথে রয়েছে অসংখ্য কাটা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোহার উপজেলার একাধীক সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বলেন, আলমগীর ভাইয়ের গতিশীল নেতৃত্ব দোহারের প্রতিটি সংগঠন শক্তিশালী সাংগঠনিক ভাবে। নেতাকর্মীদের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। তার তুলনা শুধু তিনিই হতে পারেন। এই অঞ্চলে অনেক আওয়ামীলীগের নেতা আছেন যারা নেতাকর্মীদের ফোন ধরেন না, নাম্বার দেখে কেটে দেন। কিন্তু আমাদের আলমগীর ভাইয়ের কাছে ছোট বড় সব নেতাই সমান। তিনি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিজ সন্তানের মতো ভালবাসেন।
দোহার মাহমুদপুর এলাকার কৃষক হান্নান বলেন, বিগত সময়য়ের তুলনায়, বর্তমান সময়ে আমাদের অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। গ্রামের অনেক সড়কের সংস্কার করেছেন আলমগীর চেয়ারম্যান। বেশ কিছু কালভার্ড ও ছোট সেতু করে দিয়েছেন আমাদের তিনি, আমরা তার দ্বারা উপকৃত হয়েছি।
মৈনটঘাট এলাকার ইজারাদার, দোহার উপজেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম মেম্বার বলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, সুখে দু:খে আমাদের পাশে থাকেন। এই অঞ্চলেরর অনেক উন্নয়ন করেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি’। উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর সাহেব যার বাস্থবায়ন করেছেন। দেখভাল করেছেন উন্নয়ন কাজের। ফলে দোহারবাসী আলমগীর ভাইয়ের কথা মনে রাখবে অনেক দিন। আমরা মাহমুদপুর ইউনিয়নবাসী ও দোহার বাসীর পক্ষ থেকে তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
সংবাদটি শেয়ার করুন
রাজধানী ঢাকার পাশ্ববর্তী, দোহার উপজেলার গণ মানুষের উন্নয়নের নিবেদিত প্রাণ মুজিব সৈনিক, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক দোহার উপজেলা পরিষদের দুই দুইবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। বিএনপি জামাত জোট সরকারের জেল জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নেও মুজিব আর্দশ থেকে সরে দাঁড়ান নি। বিশেষ করে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের মহামারীতে যখন অনেক ইউপি চেয়ারম্যান. মেম্বার, ও নেতা এলাকায় থাকেননি। তখন তিনি মাননীয় সাংসদ সালমান ফজলুর রহমানের নির্দেশনা অনুসারে দোহারের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে চলেছেন। নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি’র জনকল্যাণকর সকল কার্যক্রমের একজন নিরব সাক্ষি হিসেবে প্রবাসী ও কৃষি অধ্যুসিত গ্রামীণ জনপদের অসংখ্য মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেন আলমগীর হোসেন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আলমগীর হোসেন ১৯৮৪ সালে এমএসসিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ইচ্ছে করলে নিজে ভাগ্য তৈরী করার জন্য উন্নত দেশে চলে যেতে পারতেন। ওই দেশের নাগরিত্ব গ্রহণ করে আজ হাজার কোটি টাকা মালিক হয়ে আরাম আয়েশে জীবন কাটাতে পারতেন তিনি। কিন্তু তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতা আলমগীর হোসেন, দেশ ,মাটি ও মানুষের টানে দেশ ছেড়ে চলে যাননি। দোহারবাসীর মায়া তাকে কোথাও যেতে দেইনি। নাড়ি’র টানে পড়ে আছেন দেশে। দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান সম্পর্কে,
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন-BHRC ঢাকা জেলার সাধারন সম্পাদক হাজী নাছির উদ্দিন পল্লব বলেন, আলমগীর ভাইয়ের সুদুরপ্রসারী উন্নয়ন পদক্ষেপের ফসল আজ দোহার নবাবগঞ্জবাসী ভোগ করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি’র নির্দেশনা অনুসারে এগিয়ে চলেছেন তিনি, যদিও রাজনীতি’র পথে রয়েছে অসংখ্য কাটা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোহার উপজেলার একাধীক সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী বলেন, আলমগীর ভাইয়ের গতিশীল নেতৃত্ব দোহারের প্রতিটি সংগঠন শক্তিশালী সাংগঠনিক ভাবে। নেতাকর্মীদের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। তার তুলনা শুধু তিনিই হতে পারেন। এই অঞ্চলে অনেক আওয়ামীলীগের নেতা আছেন যারা নেতাকর্মীদের ফোন ধরেন না, নাম্বার দেখে কেটে দেন। কিন্তু আমাদের আলমগীর ভাইয়ের কাছে ছোট বড় সব নেতাই সমান। তিনি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিজ সন্তানের মতো ভালবাসেন।
দোহার মাহমুদপুর এলাকার কৃষক হান্নান বলেন, বিগত সময়য়ের তুলনায়, বর্তমান সময়ে আমাদের অঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হয়েছে। গ্রামের অনেক সড়কের সংস্কার করেছেন আলমগীর চেয়ারম্যান। বেশ কিছু কালভার্ড ও ছোট সেতু করে দিয়েছেন আমাদের তিনি, আমরা তার দ্বারা উপকৃত হয়েছি।
মৈনটঘাট এলাকার ইজারাদার, দোহার উপজেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম মেম্বার বলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, সুখে দু:খে আমাদের পাশে থাকেন। এই অঞ্চলেরর অনেক উন্নয়ন করেছেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি’। উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর সাহেব যার বাস্থবায়ন করেছেন। দেখভাল করেছেন উন্নয়ন কাজের। ফলে দোহারবাসী আলমগীর ভাইয়ের কথা মনে রাখবে অনেক দিন। আমরা মাহমুদপুর ইউনিয়নবাসী ও দোহার বাসীর পক্ষ থেকে তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
সংবাদটি শেয়ার করুন

No comments