Header Ads

Header ADS

দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান সাধারণ মানু‌ষের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছেন - আলমগীর হোসেন।


ডেস্ক সংবাদ:দোহার উপজেলা পরিষদের দু’বার নির্বাচিত জনপ্রিয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন। প্রচুর আত্মবিশ্বাসী ও কর্মঠ এই রাজনীতিবিদ।সবসময় চুপচাপ শান্ত থাকতে পছন্দ করেন বর্তমান সময়ের জনমানুষের এই নেতা। তার চিন্তা চেতনা শুধুই দোহারবাসীর উন্নয়ন।
পদ্মার করাল গ্রাসে দোহার উপজেলার মানুষ যখন জমি,ঘর-বাড়ি হারিয়ে বার বার পিছিয়ে পড়ছে সেই সময়ে আবির্ভাব হয়ে উঠে এই অকুতোভয় সমর যোদ্ধা উপজেলার সুতারপাড়া ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মো.আলমগীর হোসেন। হতাশার চাঁদর যথন জড়িয়ে ধরছে অসহায় মানুষগুলোকে, ঠিক সেই সময় প্রান্তিক জনপদের মানুষগুলোকে স্বপ্ন দেখান তিনি বেঁচে থাকার। দিন রাত চেষ্টা করে যাচ্ছেন  দোহার নামক এই উপজেলাকে একটি আধুনিক উপজেলায় রুপান্তর করতে। 
প্রতিদিন ভোরে ফজরের নামাজ শেষ করেই  বসে পড়েন  কাগজ কলম নিয়ে। কোথা্য় সড়ক সংস্কার করতে হবে, কোথাও আবার নতুন সড়কসহ ব্রীজ- কালর্ভাট তৈরী করে চরাঞ্চলে স্কুল ও কলেজ শিকার্থীদের শিক্ষার পথ সুযোগ করে দেওয়ার প্রত্যাশায়।এই চেষ্টাই যেন তার সকল সময়।
ঢাকা-১ আসন, দোহার নবাবগঞ্জের উন্নয়নের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমানের উন্নয়ন কাজের অন্যতম সারথী হিসেবে এই অঞ্চলে তার রয়েছে একটি বিশেষ পরিচিতি।দলের জন্য রয়েছে তার নিবেদিত প্রাণ, মুজিব সৈনিক, দোহার উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন।
বিগত বিএনপি’র জামাত জোট সরকারের সময়ে জেল জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নেও মুজিব আর্দশ থেকে বিচ্যুত হন নি।সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের মহামারীতে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, মাননীয় সাংসদ সালমান ফজলুর রহমানের নির্দেশনা অনুসারে কর্মহীন হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে হাজির হয়েছেন। রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, জীবনের মায়া ত্যাগ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আলমগীর হোসেন ১৯৮৪ সালে এমএসসিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন।সে সময়ে নিজ ভাগ্য উন্নয়নের জন্য সরকারী চাকুরী করে উচ্চ পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তা হতে পারতেন। রাজধানীতে আরাম আয়েশ করে জীবন কাটাতে পারতেন পরিবার পরিজন নিয়ে।কিন্তু তিনি তা করেন নি।দেশ ,মাটি ও মানুষকে ভা্লবেসে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। নাড়ি’র টানে চলে আসেন দোহারের গ্রামীণ জণপদে। দোহার উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতায় নামেন তিনি।জানা যায়,সে সময়ে নিজ দলীয় নেতাদের রোষানলে পড়েন তিনি।তাতে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ না করে অকুতোভয়,রাজনীতির মাঠে সমর যোদ্ধা তার বুদ্ধিমত্তা ও সাহস নিয়ে এগিয়ে চলেন।এক পর্যায়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন তিনি।তার শক্ত প্রতিদ্বন্দিরা মাঠ ছেড়ে সরে পড়েন।সে সময় থেকে বিপুল সাহস ও উদ্দীপনা নিয়ে তার এগিয়ে চলা।
দোহার উপজেলার আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, আলমগীর ভাইয়ের গতিশীল নেতৃত্ব প্রতিটি সহযোগী সংগঠন এখন সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী হয়ে দাড়িয়েছে। বিপদে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন তাদের জন্য। তার তুলনা শুধু তিনিই হতে পারেন। এই অঞ্চলে অনেক আওয়ামীলীগের নেতা আছেন যারা নেতাকর্মীদের ফোন ধরেন না, নাম্বার দেখে কেটে দেন। কিন্তু আমাদের আলমগীর ভাইয়ের কাছে ছোট বড় সব নেতাই সমান। তিনি সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিজ সন্তানের মতো ভালবাসেন।
দোহার সুতারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নাছির উদ্দিনের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আলমগীর ভাই সকল মানুষের সাথে দেখা হলেই কথা বলেন।চেনাজানা সবাইকে ফোন করে খোঁজ খবর নেন। ধনী গরিব সবার সাথে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। দোহার উপজেলার অনেক বড় নেতাদের মধ্যে এই গুন নেই।তারা নিজেরা আত্বীয়করন নিয়ে ব্যস্ত।আওয়ামীলীগের পদ বানিজ্য নিয়ে তা ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

No comments

Powered by Blogger.