দোহারে চরকুশাই গ্রামের রাস্তার বেহালদশা, সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর
দোহার সমাচার : চরকুশাই গ্রামের ( দোহার উপজেলার) কুসুমহাটি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের চার ঘাট নতুন ব্রীজ থেকে কার্তিকপুর সাঈদ মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার বেহালদশা। রাস্তাটি গত ১৪ বছর আগে পাকা করা হলে ও সংস্কারের অভাবে এখন রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা ও কস্টসাধ্য হয়ে পরছে। প্রায় ১কিলোমিটার রাস্তার বেশিরভাগ স্থানে ভাঙ্গা থাকায় কোন যানবাহন তো দূরের কথা মানুষকেই চলাচল করতে হয় ঝুকি নিয়ে। আর বৃষ্টি হলে তো রাস্তাটি নালায় পরিনত হয়।
প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর ধরে রাস্তটির এ বেহালদশা। মাহমুদপুর ও কুসুমহাটি ইউনিয়নের প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার মানু্ষ রাস্তটি দিয়ে যাতায়াত করে। কার্তিকপুর বাজার,কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়, জয়পাড়া, আবু বকর সিদ্দিক কিন্টারগার্ডেনসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এ রাস্তটি ব্যবহার করেন কুসুমহাটি ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের হাজার ও জনগন।
এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত কারী অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তাদের দুঃখ দূর্দশার কথা।
সাইমন রুবেল নামের এক ব্যাক্তি দোহার সমাচার কে জানান," এ রাস্তাটি অনেক আগে পাকা করা হয়েছিল। কয়েকবছর পর রাস্তটির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। তারপর রাস্তটি কেউ ঐ রকমভাবে মেরামত করে নি ফলে রাস্তটির অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। আমরা চাই রাস্তটি যেন দ্রত সংস্কার করা হয়।"
কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মিরাজ হোসেন জানান," স্কুল খোলা থাকলে আমরা এ রাস্তা দিয়ে ই স্কুলে যায়। এ রাস্তায় আমাদের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। আমরা চাই রাস্তটি ঠিক করা হোক।
আরেক শিক্ষার্থী জানান, " বৃষ্টি হলে এ রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাইতে অনেক সমস্যা হয়। অনেক সময় অনেক দূর ঘুড়ে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে হয়।
রিকশাচালক নুরুল ইসলাম জানান," এ রাস্তায় গাড়ী নিয়ে ঢুকলে বের হওয়াই মুসকিল। রাস্তটা ঠিক করলে সকলের জন্য ভালোই হয়।
স্থানীয়বাসীন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায় " তারা বেশ কয়েকবার জনপ্রতিনিধিদের কাছে গেলে ও রাস্তটি কেউ মেরামত করে দেয় নি।
কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি কে জানান," আমার ইউনিয়নের এ রাস্ত।টিই বেশি খারাপ। নতুন ব্রীজের কাজ শেষ হওয়ার আগেই এ রাস্তটি সংস্কার করতে চেষ্টা করবো। করোনা ভাইরাসের কারনে এ রাস্তাটির কাজ ধরতে দেরি হচ্ছে। অতি দ্রুতই রাস্তাটির সংস্কারের উদ্যোগ নিবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো জানান, আপনারা রাস্তাঘাটের নিউজ করে আমাদের সহায়তা করবেন। রাস্তার অবস্থা খারাপ দেখলে আপনারা নিউজ করবেন। আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।সবাই মিলেই এলাকার উন্নয়নে শরীক হবো।
অতি দ্রুতই সংস্কার করা হবে এ
রাস্তাটি এমনটাই প্রত্যশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।
প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর ধরে রাস্তটির এ বেহালদশা। মাহমুদপুর ও কুসুমহাটি ইউনিয়নের প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার মানু্ষ রাস্তটি দিয়ে যাতায়াত করে। কার্তিকপুর বাজার,কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়, জয়পাড়া, আবু বকর সিদ্দিক কিন্টারগার্ডেনসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এ রাস্তটি ব্যবহার করেন কুসুমহাটি ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের হাজার ও জনগন।
এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত কারী অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় তাদের দুঃখ দূর্দশার কথা।
সাইমন রুবেল নামের এক ব্যাক্তি দোহার সমাচার কে জানান," এ রাস্তাটি অনেক আগে পাকা করা হয়েছিল। কয়েকবছর পর রাস্তটির অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। তারপর রাস্তটি কেউ ঐ রকমভাবে মেরামত করে নি ফলে রাস্তটির অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। আমরা চাই রাস্তটি যেন দ্রত সংস্কার করা হয়।"
কার্তিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মিরাজ হোসেন জানান," স্কুল খোলা থাকলে আমরা এ রাস্তা দিয়ে ই স্কুলে যায়। এ রাস্তায় আমাদের ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। আমরা চাই রাস্তটি ঠিক করা হোক।
আরেক শিক্ষার্থী জানান, " বৃষ্টি হলে এ রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাইতে অনেক সমস্যা হয়। অনেক সময় অনেক দূর ঘুড়ে অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে হয়।
রিকশাচালক নুরুল ইসলাম জানান," এ রাস্তায় গাড়ী নিয়ে ঢুকলে বের হওয়াই মুসকিল। রাস্তটা ঠিক করলে সকলের জন্য ভালোই হয়।
স্থানীয়বাসীন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায় " তারা বেশ কয়েকবার জনপ্রতিনিধিদের কাছে গেলে ও রাস্তটি কেউ মেরামত করে দেয় নি।
কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন আজাদ আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি কে জানান," আমার ইউনিয়নের এ রাস্ত।টিই বেশি খারাপ। নতুন ব্রীজের কাজ শেষ হওয়ার আগেই এ রাস্তটি সংস্কার করতে চেষ্টা করবো। করোনা ভাইরাসের কারনে এ রাস্তাটির কাজ ধরতে দেরি হচ্ছে। অতি দ্রুতই রাস্তাটির সংস্কারের উদ্যোগ নিবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো জানান, আপনারা রাস্তাঘাটের নিউজ করে আমাদের সহায়তা করবেন। রাস্তার অবস্থা খারাপ দেখলে আপনারা নিউজ করবেন। আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন।সবাই মিলেই এলাকার উন্নয়নে শরীক হবো।
অতি দ্রুতই সংস্কার করা হবে এ
রাস্তাটি এমনটাই প্রত্যশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

No comments