দোহারে বাপ - বেটার গনধর্ষন
দৈনিক আমার বাংলা রিপোর্ট : ঢাকার দোহার উপজেলায় কাজের প্রলোভন দেখিয়ে লম্পট বাবা ও ছেলে হাতে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মধ্যলটাখোলা বিলেরপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী ভিক্টটিমস দোহার থানায় শনিবার (২২ আগস্ট) ৫ জনকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করলে মধ্যলটাখোলা গ্রামের আজাদ জমাদ্দার (৪৫) ছেলে শামীম জমদ্দার (২০) ধর্ষণের সহযোগী নুরু বয়াতীকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে দোহার থানা পুলিশ। দোহার থানায় মামলা নং ১৫/২২/২০ইং
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নুরু বয়াতি ওরফে পেট্রোল বয়াতি গৃহবধূকে বিয়ে বাড়িতে রান্না কাজে সহায়তা করার কথা বলে ধর্ষক আজাদ জমাদ্দারের ভাড়া বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে গৃহবধূর সাথে আজাদ জমাদ্দার জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে আজাদ জমাদ্দারের ছেলে শামীম জমাদ্দার পিতার কুকৃর্তি গোপনে ভিডিও ধারণ করে, ধর্ষণকৃত ওই গৃহবধূ বাসায় যাওয়ার পথে পথগতিরোধ করে জমাদ্দারের ছেলে শামীম জমাদ্দার। সে ওই গৃহবধূকে গোপন ভিডিও দেখিয়ে ভয় দেখালে ওই গৃহবধূ তার হাত থেকে বাঁচতে দৌড় দিলে একটি পুকুরে পরে যায়। পরে শামীম ও তার বন্ধুরা গৃহবধূকে পুকুর থেকে তুলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নুরু বয়াতি ওরফে পেট্রোল বয়াতি গৃহবধূকে বিয়ে বাড়িতে রান্না কাজে সহায়তা করার কথা বলে ধর্ষক আজাদ জমাদ্দারের ভাড়া বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে গৃহবধূর সাথে আজাদ জমাদ্দার জোড় পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে আজাদ জমাদ্দারের ছেলে শামীম জমাদ্দার পিতার কুকৃর্তি গোপনে ভিডিও ধারণ করে, ধর্ষণকৃত ওই গৃহবধূ বাসায় যাওয়ার পথে পথগতিরোধ করে জমাদ্দারের ছেলে শামীম জমাদ্দার। সে ওই গৃহবধূকে গোপন ভিডিও দেখিয়ে ভয় দেখালে ওই গৃহবধূ তার হাত থেকে বাঁচতে দৌড় দিলে একটি পুকুরে পরে যায়। পরে শামীম ও তার বন্ধুরা গৃহবধূকে পুকুর থেকে তুলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে।
ভিকটিমের পরিবারের এক সদস্য জানান, আমার দেবর তার স্ত্রীর কোনো খোজখবর না নেওয়াতে পেটের দায়ে মানুষের বাড়িতে কাজ করে খায়। তার একটি সন্তান রয়েছে । এমন ঘটনা ঘটবে আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি ।
এলাকাবাসি জানান আজাদ জমাদ্দারের বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও বিক্রি অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার জেলও খেটেছেন তার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তার স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে পিতার বাড়ি ফরিদপুর চলে গেছে ।
এবিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (তদন্ত) মো. আরাফাত হোসেন জানান, এই ঘটনায় ৫ জনকে আসামি করে দোহার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আমরা অভিযুক্ত তিন আসামিকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছি এবং বাকি আসামিদেরকে দ্রুত আটক করা হবে।
দৈনিক আমার বাংলা :

No comments